janaojana

একান তেকে নতুন কিছু জানতে পারবেন

Music

Responsive Ads Here

বুধবার, ৮ জুন, ২০১৬

রোনালদোকে ছাড়বে না রিয়াল

মৌসুমের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনের পর ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর গুরুত্ব বোঝাতে তাকে ক্লাবের ‘অন্যতম স্তম্ভ’ বলে উল্লেখ করলেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেস। রিয়াল মাদ্রিদ সভাপতি নতুন করে আবারও জানালেন, তিন বারের বর্ষসেরা ফুটবলারকে ছাড়ার কোনো ইচ্ছাই নেই ক্লাবের।

RELATED STORIES
ইতিহাস গড়া জিদানের এখন উপভোগের সময়
রোনালদো জানতেন!
‘আতলেতিকো এক দিন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতবে’
অধিনায়ক রামোসের অনুভূতি ‘অসাধারণ’
দুই ফাইনালে হারা ব্যর্থতা: সিমেওনে
আতলেতিকোর স্বপ্ন ভেঙে ইউরোপ সেরা রিয়াল
রোনালদোর ‘লটারি’ ভাগ্য
ইউরোপীয় ফুটবলের সেরা প্রতিযোগিতায় রিয়ালকে একাদশ শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রোনালদো। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ ১৬টি গোল করার পথে এক আসরের গ্রুপ পর্বে রেকর্ড ১১ গোল করেন তিনি।

২০০৯ সালে রিয়ালে আসার পর থেকে প্রতি মৌসুমেই নিজেকে আরও উঁচুতে নিয়ে গেছেন রোনালদো। লা লিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে এ মৌসুমেও মোট ৫১টি গোল করেন তিনি। কিন্তু মৌসুমের প্রায় পুরোটা সময় জুড়েই তার দল বদলের সম্ভাবনা নিয়ে খবর বের হতে থাক।
কদিন আগে অবশ্য রোনালদো নিজেই রিয়ালে আরও অনেক দিন থাকার ইচ্ছার কথা জানান। এবার পেরেসও একই ইচ্ছার কথা জানিয়ে সব গুঞ্জনের ইতি টানলেন।

“পুরো বিশ্ব জানে, আমি চাই, ক্রিস্তিয়ানো তার ক্যারিয়ারের বাকিটা সময় মাদ্রিদেই থাকুক। সে এই ক্লাবের অন্যতম স্তম্ভ।”

শনিবার রাতে মিলানের সান সিরোর ফাইনালে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী আতলেতিকোকে টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে হারিয়ে রিয়ালের ইউরোপ সেরা হওয়ার সাফল্যের কারিগর জিনেদিন জিদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন পেরেস।

রাফায়েল বেনিতেসের অধীনে মৌসুমে শুরু থেকে অধারাবাহিক পারফরম্যান্সে অনেকটাই এলোমেলো হয়ে পড়েছিল রিয়াল। গত জানুয়ারিতে প্রথমবারের মতো মূল কোচের দায়িত্ব পেয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া সে দলকেই মাত্র পাঁচ মাসে মহাদেশ সেরার আসনে বসালেন ফরাসি এই কোচ।
জিদানের প্রশংসায় পেরেস বলেন, “রিয়াল মাদ্রিদের জন্য জিদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খেলোয়াড় হিসেবে সে আমাকে যা বলেছিল, (শনিবার রাতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর) ঠিক একই কথাই বলে ‘আমি পেরেছি, প্রেসিডেন্ট’।”

২০০২ সালে খেলোয়াড় হিসেবে রিয়ালের নবম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন জিদান। তার অসাধারণ এক ভলিতে করা গোলেই ফাইনালে জার্মানির বায়ার লেভারকুজেনকে হারায় রিয়াল। এছাড়া ২০১৪ সালে আনচেলত্তির অধীনে রিয়াল যখন দশম বারের মতো ইউরোপ সেরার মুকুট জেতে, তখন জিদান ছিলেন সহকারী কোচ।

২০১৬ সালের মে মাস থেকে সিঙ্গাপুরের সরকারী কর্মচারীরা ইন্টারনেট চালাতে পারবেনা

সিঙ্গাপুরভিত্তিক দৈনিক স্ট্রেইটস টাইমস-এর বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, ‘উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা হুমকির মুখে কর্মচারীদের সঙ্গে শেয়ার করা দলিল আর কাজের ই-মেইল ফাঁসের আশঙ্কা’ ঠেকাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় কর্মচারীরা তাদের ব্যক্তিগত ইমেইলে কোনো ধরনের অফিসিয়াল তথ্য শেয়ার করতে পারবে না বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

এই পদক্ষেপে দেশটির নাগরিকরা ‘হতবাক’ ও ‘সংশয়’ প্রকাশ করেছেন। দেশটিতে বহুল প্রচারিত ‘স্মার্ট নেশন টেকনোলজি ইনিশিয়েটিভ’-এর সঙ্গে এটি সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করা হচ্ছে।

সরকারের এমন পদক্ষেপের আওতায় শিক্ষকরাও পড়ছেন। কিন্তু তারা খুব একটা স্পর্শকাতর তথ্য নিয়ে কাজ না করায়, তাদের ক্ষেত্রে এমন নিষেধাজ্ঞা ‘মাত্রাতিরিক্ত’ বলেও মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।

এই নিষেধাজ্ঞা জানিয়ে দেশটির সব সরকারি সংস্থা, মন্ত্রণালয়, সরকারি পরিষদে ঘোষণা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের দৈনিকটি।

পরিবর্তনের দায়িত্বে থাকা সংস্থা ইনফোকম ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (আইডিএ) জানিয়েছে, তারা সাইবার-আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা দিতে আরেকটি ‘আরও নিরাপদ কর্ম পরিবেশ’ তৈরিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র বিবিসি-কে বলেন, “সিঙ্গাপুর সরকার আমাদের আইটি নেটওয়ার্ক নিরাপদ করতে নিয়মিত আমাদের নিরাপত্তা যাচাই করে। আমরা ইতোমধ্যে বাছাইকৃত কিছু সরকারী কর্মকর্তার কর্মক্ষেত্রে ইন্টারনেট অ্যাকসেস বন্ধ করেছি। আর এক বছরের মধ্যে বাকি সব সরকারী কর্মচারীদের সঙ্গেও ক্রমান্বয়ে এগুলো বন্ধ করা হবে।”

ক্রমান্বয়ে এটি এক লাখ সরকারি কাজের কম্পিউটারে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানানো হয়।

২০১৩ সালে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ওয়েবসাইট হ্যাক করেছিল অ্যানোনিমাস গ্রুপ।

তারাবির হাদিস

১৮৮৩. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে , রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যাক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় তারাবীহর সালাত (নামায/নামাজ) দাঁড়াবে তার পূর্ববর্তী গোনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে। হাদীসের রাবী ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন , রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করেন এবং তারাবীহর ব্যাপারটি এ ভাবেই চালু ছিল। এমনকি আবূ বাকর (রাঃ) -এর খিলাফতকালে ও ‘উমর (রাঃ) -এর খিলাফতের প্রথম ভাগে এরূপই ছিল। ইবনু শিহাব (রহঃ)‘উরওয়া ইবনু যুবায়র (রহঃ) সূত্রে ‘আব্দুর রাহমান ইবনু ‘আবদ আল -ক্বারী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন , তিনি বলেন , আমি রমযানের এক রাতে ‘উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) -এর সঙ্গে মসজিদে নববীতে গিয়ে দেখতে পাই যে , লোকেরা বিক্ষিপ্ত জামায়াতে বিভক্ত। কেউ একাকী সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করছে আবার কোন ব্যাক্তি সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করছে এবং তার ইকতেদা করে একদল লোক সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করছে। ‘উমর (রাঃ) বললেন , আমি মনে করি যে , এই লোকদের যদি আমি একজন ক্বারীর (ইমামের )পিছনে একত্রিত করে দই , তবে তা উত্তম হবে। এরপর তিনি উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) -এর পিছনে সকলকে একত্রিত করে দিলেন। পরে আর এক রাতে আমি তাঁর [‘উমর (রাঃ) ] সঙ্গে বের হই। তখন লোকেরা তাদের ইমামের সাথে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করছিল। ‘উমর (রাঃ) বললেন , কত না সুন্দর এই নতুন ব্যবস্থা! তোমরা রাতের যে অংশে ঘুমিয়ে থাক তা রাতের ঐ অংশ অপেক্ষা উত্তম যে অংশে তোমরা সালাত (নামায/নামাজ) আদায় কর, এর দ্বারা তিনি শেষ রাত বুষিয়েছেন , কেননা তখন রাতের প্রথমভাগে লোকেরা সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করত।